প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীরের কনভয় ঘিরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিক্ষোভ !

নজিরবিহীন ঘটনা মুর্শিদাবাদে।খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী নিজের গড়েই দুষ্কৃতীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে রীতিমতো বেসামাল হয়ে পড়েন। শুক্রবার মুর্শিদাবাদ জুড়ে ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এমনকি জায়গায় জায়গায় তাকে ঘিরে কালো পতাকা, ‘ গো ব্যাক’ স্লোগান পর্যন্ত উঠতে থাকে। পরবর্তীতে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী থেকে শুরু করে পুলিশের সহায়তায় কোনরকমে সেখান থেকে বের করে আনা হয় তাকে। সূত্রের খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই জেলার রানীনগর বিধানসভায় এলাকায় চাপা রাজনৈতিক উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। প্রসঙ্গত, এলাকার দাপুটে কংগ্রেস নেতা ঝড়ু মণ্ডল সহ বেশ কয়েকজনের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, পুকুরের মাছ ধরে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে । আক্রান্তদের অভিযোগ, তৃণমূলের ব্লক সভাপতির মদতেই এই অত্যাচার হয়েছে , যথেচ্ছ লুঠপাটের ঘটনা ঘটেছে। যদিও তৃণমূল ব্লক সভাপতি যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। এদিকে বহরমপুর এর সাংসদ অধীর চৌধুরী দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে করে নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে নিয়ে আক্রান্তদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এর পরেই এলাকায় পৌঁছাতেই একের পর এক দুষ্কৃতীদের বাধার মুখে অধীর বাবুকে পড়তে হয় বলেই কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ। এদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে কালো পতাকা দেখিয়ে গো ব্যাক স্লোগানে সামিল হন এলাকার মানুষের একাংশ। রাস্তায় কার্যত বিক্ষোভ পর্যন্ত দেখাতে থাকেন । পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে একসময় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে প্রবেশ করে কনভয় আটকে বিক্ষোভ আটকে দেন একদল দুষ্কৃতী। নিরাপত্তারক্ষী ও স্থানীয় পুলিশ কোনওক্রমে বিক্ষোভ হটিয়ে কনভয় থেকে অধীর চৌধুরী কে উদ্ধার করে।পাল্টা অভিযোগ দিন কয়েক আগে কংগ্রেসের তরফে রানীনগর 2 নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি শাহ আলমের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা মারা হয় ঘটনায় মৃত্যু হয় তার গাড়ির চালকের।