জাতীয়/দেশরাজনীতি

সিনিয়র আইনজীবী ইয়ান আলীর সুপ্রিমকোর্টকে দেওয়া বিষ্ফোরক চিঠি !

ভারতের মহামান্য প্রধান বিচারপতি মহোদয় সমীপে।

WE CAN DO NO WRONG

২০১১ সালে নতুন সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে অদ্যতক এরাজ্যের নিরপেক্ষ এবং সরকার বিরোধী নাগরিকদের অধিকার ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা গুরুতরভাবে অক্রান্ত। এরুপ সাফল্যের জন্য ধন্যবাদ জানাই শ্রীমতি মমতা ব্যানার্জীকে – শুধু মাত্র ক্ষমতার লোভে যিনি ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ত্যাগ করতঃ নতুন দল তৈরী করে আর এস এস কে হাত ধরে টেনে এনেছিলেন এই বঙ্গে – লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশীর নাম ভোটার তালিকায় তুলে রেখে ওদের ভোটে বার বার সি পি আই (এম) জিতে যাচ্ছে – এই অভিযোগ তুলে। ধন্যবাদ জানাই আজ দেশচালকের আসনে উপবিষ্ট আর এস এসকে – মমতা ব্যানার্জীর এই অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে শুধু নির্বাচন কমিশনের হাত দিয়ে নয়, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের সততা, বিশ্বাস ও নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার মত ভূল সিদ্ধান্তের সুযোগে তাৎক্ষনিক বুদ্ধিমত্তার সাথে সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমেও বাপ ঠাকুরদার মত এই দেশে জন্ম গ্রহনকারী জীবিত লক্ষ লক্ষ bona fide নাগরিকের সাথে আমার ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে চূড়ান্ত হয়রানিতে ফেলে এই নাগরিকদের গায়ে অনুপ্রবেশকারীর তকমা সেঁটে দিয়ে লোক সমাজে তাঁদের হেয় ও অসম্মানিত করে তার লক্ষ্য পূরণের পথ আরও একটু প্রশস্ত করতে সক্ষম হওয়ার জন্য।

কি সেই তাৎক্ষনিক বুদ্ধিমত্তার কাজ? দাদা দিদির পাতা ফাঁদে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট পা দিলেন – সে আশঙ্কা এই প্রতিবেদকের কলমে ২৮.০২.২০২৬ তারিখে লালগোলার ‘ভাল মন্দ’ পাক্ষিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।দূর্ভাগ্য, সেই আশঙ্কাটাই আজ অক্ষরে অক্ষরে সত্য হয়ে গেল! কারণ জানা না গেলেও, অনুমান – পাতা ফাঁদে শিকার ধরতে নোটিশ প্রাপ্ত ভোটারগণ শুনানীতে হাজির হয়ে তাদের আধার কার্ডসহ অন্যান্য কাগজের যে কপি জমা দিলেন তদবিষয়ে রসিদ প্রদান নিমিত্ত মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ নির্বাচন কমিশন উপেক্ষা করে একাংশ নাগরিকের প্রদত্ত কাগজ পত্র পোর্টালে না তুলে বা তোলার পর তা সরিয়ে নিয়ে পোরটালের লিঙ্ক মাননীয় বিচারকদের হাতে তুলে দিলেন – ফল – মাননীয় বিচারকগন পোর্টালে কাগজ না পেয়ে তালিকাভূক্ত লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দিলেন নির্বাচন কমিশনের এই ফাঁদে পড়ে। একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস! কেন যে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট ভুলে গেলেন আইন জগতের সেই চিরন্তন কথাটা – JUSTICE DELAYED JUSTICE DENIED. JUSTICE HURRIED JUSTICE BURIED! কথায় আছে-KING CAN DO NO WRONG!রাজতন্ত্রে একটা দেশে একজনই রাজা থকেন। আমাদের দেশতো গনতান্ত্রিক দেশ।তাই শুধু নির্বাচন কমিশন, মাননীয় মুখ্যমন্তী, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী এবং মহামান্য সুপ্রীম কোর্টই নহেন – ‘আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে’ – WE CAN DO NO WRONG! যখন মাননীয় বিচারপতি মিঃ বাগচী মন্তব্য করেন যে কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে কাটা পড়লেই তিনি বেনাগরিক হয়ে যান না, তখন অনপড় সেই এক গ্রাম্য মহিলার করা বিখ্যাত উক্তিটির কথা মনে পড়ে যায়, ‘আহারে! দুর্ঘটনায় লোকটি মারা গেলেও ওর চোখ দুটি কিন্তু বেঁচে গেছে’! ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দেওয়ার আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, নির্বাচন কমিশ্‌ন, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট ‘এক জন বৈধ ভোটার এর নামও যেন বাদ না যায় সেটা দেখার দায়িত্ব আমাদের’ – বলে ঘোষণা করতে করতে লক্ষ লক্ষ জীবিত ভোটারের নাম অবৈধ উপায়ে কেটে দিয়ে আপনারা সকলে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করলেন! আপনাদের শুধু স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিৎ যে আপনাদের নাগরিকত্ব এবং ভোটাধিকার যেমন আমার দয়া বা বিবেচনার উপর নির্ভর করে না তেমনি জন্মসূত্রে প্রাপ্ত আমার নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার এক মুহূর্তের জন্যও আপনাদের অনুকম্পা বা বিচার বিবেচনার উপর নির্ভর করে না।আমরা জানি, কোন আন্তর্জাতিক আইন বলে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট তেলের দখল নিতে ডাকাতি করে ভেনেজুয়েলার নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে সস্ত্রীক গায়ের জোরে তুলে এনে বন্দী করে রেখেছেন , ইরানে বোমা ফেলছেন – তার জবাব দেওয়ার দায় তিনি স্বীকার করবেন না, তেমনি দেশের কোন আইন বলে Contempt of Court আইনের বর্ম পরে লক্ষ লক্ষ নাগরিকের ভোটাধিকার আপনারা কেড়ে নিলেন তার জবাব দেওয়ার দায় আপনারা স্বীকার করবেন না। আপনাদের ক্ষমতা আছে – তাই আমাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে হাতে ট্রাইবুনালের মূলো ধরিয়েছেন। আপনারা শক্তের ভক্ত। তাই আরাবল্লী পর্বতের গর্জনে নিজেদের দেওয়া রায় নিজে নিজেই তুলে নিয়েছেন। অপরাধ মাফ করবেন – কারণ, মাননীয় আদালত তো আর দেশ চালায় না বা আইন তৈরীর ক্ষমতাও তাঁর নেই। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে শাসকের ইচ্ছাকে মান্যতা দিতে কেহ বাধ্য হন, আবার কেহ মান্যতা দিয়ে নিজেকে ধন্য মনে করেন। জানিনা আমাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনটা ঠিক!প্রতিটি জেলায় ট্রাইবুনাল বসবে বলে ঘোষনা থাকা স্বত্বেও সব ট্রাইবুনাল কলকাতাতেই বসবে, এই আশঙ্কা থেকে কি, জেলায় জেলায় হাজার হাজার বাতিল ভোটার ট্রাবুনালে এক সঙ্গে আছড়ে পড়তে পারে? নাকি কলকাতায় নিজ নিজ বাসভবনে থাকার সুবিধাসহ মাননীয় বিচারকদের চাকুরী করার সুবিধা পাওয়ার জন্য? কলকাতায় ট্রাইবুনালে লক্ষ লক্ষ বাতিল ভোটার ঘূর্ণী ঝড়ের মত কোন দিন আছড়ে পড়বে না, তার নিশ্চয়তা পেয়েছেন তো? বঙ্গ সন্তান মাননীয় বিচারপতি মিঃ বাগচি পশ্চিম বঙ্গের মাত্রচিত্রটির দিকে তাকিয়ে দেখার সময় পেলে জানতে পারতেন যে কত লক্ষ মহিলা পুরুষ বাতিল ভোটারকে নিজেদের কাজকর্ম ফেলে কষ্টার্জিত গাঁটের কত টাকা খরচে কত কিলোমিটার দূরে নির্দিষ্ট দিন ও সময়ে ডিটারজেন্ট পাঊডারসহ কলকাতার ট্রাইবুনালে কিভাবে ছুটতে হবে! এদেশের হতভাগ্য নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিয়ে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, নির্বাচন কমিশন এবং মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট এই তামাসার মাধ্যমে দেশের সংবিধান ও গনতন্ত্রের অন্তিম যাত্রার সুচনা করলেন বললে কি আমাদের খুব বড় অপরাধ হবে? ক্রোধ নয়, হতাশা নয়, হিংসা নয়, ঘৃণা নয়, বিভেদ নয়। আর এস এস ঘোষিত “দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধও” নয়।এটা হল লাখো শহিদের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে প্রাপ্ত আমাদের দেশের সংবিধান, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও গনতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার যুদ্ধ। এ যুদ্ধে আজ প্রতিটি শান্তিপ্রিয় গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামিল হতে হবে – এই প্রত্যয় নিয়ে, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় ‘ – তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে’।। ইতি ০৫.০৪.২০২৬ । আপনার বিশ্বস্ত মহঃ ইয়ান আলি।

গোলাপবাগ, মুর্শিদাবাদ, পশিচমবঙ্গ ৭৪২১৪৯।

চিঠি ২

ভারতের মহামান্য প্রধান বিচারপতি মহোদয় সমীপে।
কুয়োর জলে মরা বিড়াল।

একই মিথ্যা বার বার শুনতে শুনতে এক সময় মানু্ষ মিথ্যাটাকেই সত্য বলে ভাবতে শুরু করবে – হিটলারের প্রচার সচিব গোয়েবলস এর এই তত্বটি্কে হিটলার শিষ্য আর এস এস আজ চিরন্তন সত্যে পরিণত করে ফেলেছে। এই কাজে খুব সফল ভাবে ওরা আদালতকেও পর্য্যন্ত ব্যবহার করতে পারছে। তাই তো মাননীয় অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় এর রামমন্দির নির্মাণের অনুকূলে প্রদত্ত রায়ের সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি সততার সঙ্গে বলেছেন এই রায় তিনি দেশের আইন ও সংবিধান মেনে নয়, রায় দিয়েছেন তাঁর অন্তরের ভগবানের নির্দেশে। আর এস এস বিভিন্ন আদালতের হুকুম নিয়ে বিভিন্ন মসজিদের তলা খুঁড়ে মন্দিরের ধংসাবশেষ খূজেঁ বার করতে সক্ষম হচ্ছে! সংবাদ মাধ্যমের ভাষায় এস আই আর নিয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের ঐহিহাসিক হুকুমে সাতশ আদালতের বিচার কার্য্য বন্ধ রেখে সশস্ত্র অতন্দ্র প্রহারার মধ্যে মাননীয় বিচারকগণ গত ২৫.০২.২০২৬ তারিখ থেকে এ বঙ্গের ভোটার তালিকা বানাতে ব্যস্ত। প্রধান মন্ত্রী নরসিংহ রাও এর আগাম জামিন বিষয়ে এবং Common Cause এর দায়েরকৃত্ মোকর্দ্দমায় যে হুকুম মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট ঐ দুটি মোকর্দ্দমায় প্রদত্ত রায় ভূল ছিল বলে অভিমত প্রকাশ করেন। এস আই আর নিয়ে যে হুকুম দেওয়া হয়েছে তা ঐতিহাসিক ভুল বলে অভিমত মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট প্রকাশ করবেন কিনা সে প্রশ্ন ভাবিষ্যতের জন্য তোলা রইল। দীর্ঘদিন আদালতের বিচার কার্য্য ফেলে রেখে সাধারন প্রশাসনের কাজের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার ফলে বিচারপ্রার্থী, লক্লার্ক এবং মাননীয় আইঞ্জীবীদের যে ক্ষতি হচ্ছে সেই ক্ষতিপূরণ প্রদানের কথাও মাননীয় সুপ্রীম কোর্টের ভাবা উচিৎ – আজ সে প্রশ্নও তো উঠছে। কারণ ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতির জন্য তাঁরা নিজেরা কোনও ভাবে দায়ী নন।

বিদেশী নাগরিক বেআইনীভাবে অন্যান্য দেশের মতই আমাদের দেশেও অনুপ্রবেশ করে।ধরা পড়লে আমাদের দেশের আদালত তার বিচার করে জেল খাটার শাস্তি প্রদান করেন।। কিন্তু ট্রাম্প সাহেব তাঁর দেশে বেআইনীভাবে অনুপ্রবেশ করিবার অভিযোগে আমাদের দেশের কিছু নাগরিককে তার দেশের আদালতে পেশ না করে সরাসরি হাত পা বেঁধে আমাদের দেশে ফেলে গেছেন। আমাদের দেশের সরকার ট্রাম্পের ঐ কাজের দ্বারা অনুপ্রাণীত হয়ে দিল্লীতে কাজ করতে যাওয়া বীরভূম জেলার সোনালী খাতুনকে সপরিবাবে বাংলাদেশের নাগরিক ঠাওরে আদালতে বিচারের জন্য তাদের পেশ না করে সরাসরি বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে । তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানী কালে মাননীয় বিচারপতি জানতে চান যে ওরা বাংলাদেশে না ভারতে থাকতে চাই! জিজ্ঞাস্য প্রশ্নটি অতি সরল বা নিরীহ এবং আইন সম্মত কিনা সে প্রশ্নটা কি অবান্তর? কেননা কেহ কি একই সঙ্গে বাংলাদেশ এবং ভারতের নাগরিক হতে পারেন? পারলে তিনি তাঁর ইচ্ছামত বসবাসের জন্য দুটি দেশের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে পারেন। আবার এস আই আর মামলার শুনানীকালে মাননীয় বিচারপতি মন্তব্য করেন যে – এটাও তো ঘটনা যে প্রচুর অনুপ্রবেশকারী আমাদের দেশে ঢুকে বসে আছে! এস আই আর মামলায় নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার এই দুটি সাংবিধানিক সংস্থার পরস্পরের বিরুদ্ধে দোষারুপের যে খেলা তার তাৎপর্য্য বুঝতে ব্যর্থ এবং বিরক্ত হয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট নিজেই খেলার মধ্যে ঢুলে পড়লেন। ফল – এ রাজ্যের লক্ষ লক্ষ নাগরিকের ভোটাধিকার আজ বিপন্ন । এর জন্য আসল দোষীরা মাননীয় আদালতের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে আড়ালে হাসছে এই বলে যে – কেমন দিলাম? কুয়োর জলে পচা বিড়াল পড়ে থাকলে সেই জল দূষিত হবেই। পচা বিড়ালটাকে আগে তুলে না ফেলে জল তুলে ফেললে কি ঐ কুয়ো থেকে ভাল জল পাওয়া যাবে? এস আই আর এর ক্ষেত্রে ঠিক এই ঘটনাই ঘটছে – এস আই আর এর নামে নির্বাচন কমিশনের তৈরী করা সংবিধান ও আইন বিরোধী সমস্থ নিয়ম কানুন – যা একমাত্র ঐ কুয়োর জলে পড়ে থাকা পচা বিড়ালের সঙ্গে তুলনীয়। মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট এই পচা বিড়ালের প্রতি নজর না দিয়ে উল্টো পথে হেঁটে কুয়োর দূষিত জল তুলে ফেলতে সাতশ বিচারকে দায়িত্ব দিয়েছেন তাদের বিচার কার্য্য বন্ধ রেখে।আর বলা হয়েছে এতেও কাজ না হলে প্রয়োগ করা হবে ডিটারজেন্ট পাউডার অর্থাৎ ট্রাইবুন্যাল। কারণটা স্পষ্ট এবং তা হল – আমাদের দেশে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ এমন কি কোটি কোটি অনুপ্রবেশকারী ঢুকে বসে আছে ভোটার তালিকায় নাম তুলে – তারস্বরে চিৎকার করে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীসহ তাঁর দলের সকলের এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত সংবাদ মাধ্যমের এই প্রচার। আর এই প্রচারের প্রভাব পড়ছে বিচার ব্যবস্থা সহ সমগ্র জনমানসে।এরই নাম প্রকৃত দেশপ্রেম! ইতি ২০.০৩.২০২৬।
আপনার বিশ্বস্ত
মহঃ ইয়ান আলি, গোলাপবাগ, পোঃ, থানা ও জেলা মুর্শিদাবাদ। পশ্চিমবঙ্গ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!